সাম্যবাদী কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর

আপনি কি সাম্যবাদী কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর খুজতেছেন? আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের জন্য। আজকের আর্টিকেলে সাম্যবাদী কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করা হবে। কথা না বাড়িয়ে তাহলে চলুন শুরু করি।


সাম্যবাদী কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১. ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটির রচয়িতা কে?
উত্তর: ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটির রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম।

প্রশ্ন-২. কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন-৩. কাজী নজরুল ইসলাম কত বছর বয়সে পিতাকে হারান?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম আট বছর বয়সে পিতাকে হারান।

প্রশ্ন-৪. কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিষ্টাব্দে বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন।

প্রশ্ন-৫. কাজী নজরুল ইসলাম কী হিসেবে বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম একজন সৈনিক হিসেবে বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন।

প্রশ্ন-৬. কোন কবিকে বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করা হয়?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করা হয়।

প্রশ্ন-৭. ‘বাঁধনহারা’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
উত্তর: ‘বাঁধনহারা’ উপন্যাসটির রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম।

প্রশ্ন-৮. কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

প্রশ্ন-৯, ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় কবি কীসের গান গেয়েছেন?
‘উত্তর: ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় কবি সাম্যের গান গেয়েছেন।

প্রশ্ন-১০, সকল কেতাব ও কালের জ্ঞান কোথায় রয়েছে?
উত্তর: সকল কেতাব ও কালের জ্ঞান মানুষের মধ্যে রয়েছে।

প্রশ্ন-১১, কবির মতে, এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কী নেই?
উত্তর: কবির মতে, এই হৃদয়ের চেয়ে বড় মন্দির-কাবা নেই।

প্রশ্ন-১২. কোরানের সাম-গান কে গেয়েছেন?
উত্তর: কোরানের সাম-গান গেয়েছেন হজরত মুহম্মদ (স.)।

প্রশ্ন-১৩, আরব-দুলাল কোথায় বসে আহ্বান শুনতেন?
উত্তর: আরব-দুলাল কন্দরে বসে আহ্বান শুনতেন।

প্রশ্ন-১৪. ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় বর্ণিত কে মানবের মহা-বেদনার ডাক শুনেছিলেন?
উত্তর: ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় বর্ণিত শাক্যমুনি মানবের মহা-বেদনার ডাক শুনেছিলেন।

প্রশ্ন-১৫. ‘পণ্ডশ্রম’ অর্থ কী?
উত্তর: ‘পণ্ডশ্রম’ অর্থ-বিফল পরিশ্রম।

প্রশ্ন-১৬. বিভিন্ন যুগে অবতীর্ণ মহাপুরুষদের কী বলা হয়?
উত্তর: বিভিন্ন যুগে অবতীর্ণ মহাপুরুষদের যুগাবতার বলা হয়

প্রশ্ন-১৭. বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক ও প্রচারক কে?
উত্তর: বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক ও প্রচারক গৌতম বুদ্ধ।

প্রশ্ন-১৮. মুসলমান, খ্রিষ্টান ও ইহুদিদের নিকট সমভাবে পুণ্যস্থান কোনটি?
উত্তর: মুসলমান, খ্রিষ্টান ও ইহুদিদের নিকট সমভাবে পুণ্যস্থান জেরুজালেম।

প্রশ্ন-১৯. ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতা?
উত্তর: ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতা।

প্রশ্ন-২০. শ্রীকৃষ্ণ কোন ধর্মের অনুসারীদের অবতার পুরুষ?
উত্তর: শ্রীকৃষ্ণ হিন্দুধর্মের অনুসারীদের অবতার পুরুষ।

প্রশ্ন-২১. শ্রীমদ্ভগবদ্‌গীতা’ কার মুখনিঃসৃত বাণী?
উত্তর: ‘শ্রীমদভগবদ্‌গীতা’ শ্রীকৃষ্ণের মুখনিঃসৃত বাণী।

প্রশ্ন-২২. ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটিতে কোন প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে?
উত্তর: ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটিতে বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক মানবসমাজ গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত হয়েছে।

প্রশ্ন-২৩. কোন গ্রন্থ থেকে ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি সংকলন করা হয়েছে?
উত্তর: ‘নজরুল রচনাবলি’র প্রথম খণ্ড থেকে ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি সংকলন করা হয়েছে।

প্রশ্ন-২৪. ‘সাম্যবাদী’ কাব্যটি কত খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ‘সাম্যবাদী’ কাব্যটি ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়।

প্রশ্ন-২৫, ‘সাম্যবাদী’ কবিতা অনুসারে সকল শাস্ত্র কোথায় খুঁজে পাওয়া যাবে?
উত্তর: ‘সাম্যবাদী’ কবিতা অনুসারে সকল শাস্ত্র মানুষের নিজ প্রাণে খুঁজে পাওয়া যাবে।

প্রশ্ন-২৬. সাম্যের কাছে এসে কী এক হয়ে যায়?
উত্তর: সাম্যের কাছে সব বাধা-ব্যবধান এক হয়ে যায়।

প্রশ্ন-২৭. মানুষের মাঝে সকল কালের কী রয়েছে?
উত্তর: মানুষের মাঝে সকল কালের জ্ঞান রয়েছে।

প্রশ্ন-২৮. ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় কবির কাছে মসজিদ, মন্দির, গির্জার অবস্থান কোথায়?
উত্তর: ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় কবির কাছে মসজিদ, মন্দির, গির্জার অবস্থান মানুষের হৃদয়ে।

প্রশ্ন-২৯. সকল যুগাবতারের সন্ধান পাওয়া যাবে কোথায়?
উত্তর: সকল যুগাবতারের সন্ধান পাওয়া যাবে মানুষের হৃদয়ে।

প্রশ্ন-৩০, ‘ত্রিপিটক’ কী?
উত্তর: ‘ত্রিপিটক’ বৌদ্ধদের ধর্মগ্রন্থের নাম।

প্রশ্ন-৩১. বাইবেল কাদের ধর্মগ্রন্থের নাম?
উত্তর: বাইবেল খ্রিষ্টানদের ধর্মগ্রন্থের নাম ।

প্রশ্ন-৩২. ‘মদিনা’ কোন দেশের শহরের নাম?
উত্তর: ‘মদিনা’ সৌদি আরবের শহরের নাম।

প্রশ্ন-৩৩. ‘কাশী’ কোন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় স্থান?
উত্তর: ‘কাশী’ হিন্দুধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় স্থান।

প্রশ্ন-৩৪. ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় বর্ণিত কবির কাছে কাশী, মথুরা, বৃন্দাবন কোথায়?
উত্তর: ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় বর্ণিত কবির কাছে কাশী, মথুরা, বৃন্দাবনের অবস্থান নিজ হৃদয়ে।

প্রশ্ন-৩৫. ‘চার্বাক’ কে?
উত্তর: ‘চার্বাক’ একজন বস্তুবাদী দার্শনিক ও মুনি।

প্রশ্ন-৩৬. মুসা (আ.) কে?
উত্তর: মুসা (আ.) হলেন আল্লাহর সুবিখ্যাত নবি।

প্রশ্ন-৩৭. ঈসা-মুসা কোথায় সত্যের পরিচয় পেয়েছিলেন? উ
ত্তর: ঈসা-মুসা হৃদয়ের মাঝে সত্যের পরিচয় পেয়েছিলেন।

প্রশ্ন-৩৮. বাঁশির কিশোর বলা হয়েছে কাকে?
উত্তর: বাঁশির কিশোর বলা হয়েছে যুগাবতার শ্রীকৃষ্ণকে।

প্রশ্ন-৩৯. ‘কন্দরে’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘কন্দরে’ শব্দের অর্থ হলো পর্বতের গুহায়।

প্রশ্ন-৪০. জেরুজালেম কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: জেরুজালেম ফিলিস্তিনে অবস্থিত।

প্রশ্ন-৪১. পারস্যের অগ্নি উপাসকদের ধর্মগ্রন্থের ভাষার নাম কী?
উত্তর: পারস্যের অগ্নি উপাসকদের ধর্মগ্রন্থের ভাষার নাম ‘জেন্দা’।

প্রশ্ন-৪২. কনফুসিয়াস কে?
উত্তর: কনফুসিয়াস চীনের দার্শনিক।

প্রশ্ন-৪৩. কবি কোন ধরনের অপূর্ব সংগীত পরিবেশন করতে আগ্রহী?
উত্তর: কবি মানবিক মেলবন্ধনের অপূর্ব সংগীত পরিবেশন করতে আগ্রহী।

প্রশ্ন-৪৪. ‘বাঁশির কিশোর’ কী গেয়েছিলেন?
উত্তর: ‘বাঁশির কিশোর’ মহা-গীতা গেয়েছিলেন।

প্রশ্ন-৪৫. কীসের দোহাই দিয়ে মানুষ পরস্পরকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে?
উত্তর: ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠীর দোহাই দিয়ে মানুষ পরস্পরকে দূরে ঠেলে দিচ্ছে।

প্রশ্ন-৪৬. কবি কীভাবে গোটা মানবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে আগ্রহী?
উত্তর: কবি ‘সাম্যের গান গেয়ে গোটা মানবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে আগ্রহী।

প্রশ্ন-৪৭. কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
উত্তর: ‘অগ্নিবীণা’ কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।

প্রশ্ন-৪৮. ‘সাম্যবাদী’ কবিতার মূলসুর কী?
উত্তর: ‘সাম্যবাদী’ কবিতার মূলসুর হলো বৈষম্যহীন মানবসমাজ গঠনের প্রত্যাশা।

প্রশ্ন-৪৯. জৈন কী?
উত্তর: জৈন হচ্ছে ‘মহাবীর’ প্রতিষ্ঠিত ধর্ম মতাবলম্বী জাতি।

প্রশ্ন-৫০, কাজী নজরুল ইসলাম কোন ধর্মের ওপর জোর দেন?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম অন্তর-ধর্মের ওপর জোর দেন।

প্রশ্ন-৫১. কবি নজরুল কোন ধরনের অপূর্ব সংগীত পরিবেশন করতে আগ্রহী?
উত্তর: কবি নজরুল মানবিক মেলবন্ধনের অপূর্ব সংগীত পরিবেশন করতে আগ্রহী।

প্রশ্ন-৫২. পুঁথি ও কেতাব পড়ে মানুষ কোথায় শূল হানছে?
উত্তর: পুঁথি ও কেতাব পড়ে মানুষ মগজে শূল হানছে।

প্রশ্ন-৫৩. পার্সিরা কোন দেশের নাগরিক?
উত্তর: পার্সিরা ইরানের নাগরিক।

প্রশ্ন-৫৪. ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় মেষের রাখাল ছিলেন কারা?
উত্তর: ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় মেষের রাখাল ছিলেন নবিরা।

প্রশ্ন-৫৫. বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক ও প্রচারককে কী বলে?
উত্তর: বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক ও প্রচারককে গৌতম বুদ্ধ বলে।

প্রশ্ন-৫৬. ‘যুগাবতার’ অর্থ কী?
উত্তর: ‘যুগাবতার’ অর্থ বিভিন্ন যুগে অবতীর্ণ মহাপুরুষ।

প্রশ্ন-৫৭. শাক্যমুনি কে?
উত্তর: ‘শাক্যমুনি’ হলেন শাক বংশে জন্ম নেওয়া বুদ্ধদেব।

প্রশ্ন-৫৮. ‘মৃত্যুক্ষুধা’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের গ্রন্থ?
উত্তর: ‘মৃত্যুক্ষুধা’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি উপন্যাস।

প্রশ্ন-৫৯. সকলের দেবতার বিশ্ব-দেউল কী?
উত্তর: সকলের দেবতার বিশ্ব-দেউল হলো—মানবহৃদয়।

প্রশ্ন-৬০. ‘জেন্দাবেস্তা’ কী?
উত্তর: পারস্যের অগ্নি উপাসকদের ধর্মগ্রন্থ আবেস্তা এবং তার ভাষা জেন্দা, দুটো মিলে হয় ‘জেন্দাবেস্তা।

প্রশ্ন-৬১. ভীল কী?
উত্তর: ‘ভীল’ হলো ভারতীয় উপমহাদেশের আদিম নৃগোষ্ঠীবিশেষ।

প্রশ্ন-৬২. ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় বর্ণিত কোথায় তাজা ফুল ফোটে?
উত্তর: ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় বর্ণিত পথে তাজা ফুল ফোটে।

প্রশ্ন-৬৩. ‘দেউল’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘দেউল’ শব্দের অর্থ দেবালয় বা মন্দির।

প্রশ্ন-৬৪. ‘সাম্য’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: ‘সাম্য’ শব্দটির অর্থ— সমতা।

প্রশ্ন-৬৫, বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘নজরুল রচনাবলি’ গ্রন্থের সম্পাদক কে?
উত্তর: বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘নজরুল রচনাবলি’ গ্রন্থের সম্পাদক আবদুল কাদির।

প্রশ্ন-৬৬. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কত খ্রিষ্টাব্দে?
উত্তর: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে।

প্রশ্ন-৬৭, জিন বা মহাবীর প্রতিষ্ঠিত ধর্মমতাবলম্বী জাতিকে কী বলে?
উত্তর: জিন বা মহাবীর প্রতিষ্ঠিত ধর্মমতাবলম্বী জাতিকে জৈন বলে।

প্রশ্ন-৬৮, ভারত সরকার কাজী নজরুল ইসলামকে কোন উপাধিতে ভূষিত করে?
উত্তর: ভারত সরকার কাজী নজরুল ইসলামকে ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত করে।

প্রশ্ন-৬৯. পারস্যদেশ বা ইরানের নাগরিকদের কী বলে?
উত্তর: পারস্যদেশ বা ইরানের নাগরিকদের পার্সি বলে।

প্রশ্ন-৭০. পারস্যের অগ্নি উপাসকদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী?
উত্তর: পারস্যের অগ্নি উপাসকদের ধর্মগ্রন্থের নাম আবেস্তা।

প্রশ্ন-৭১. কাজী নজরুল ইসলাম কত বছর বয়সে লেটো গানের দলে যোগ দেন?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম বারো বছর বয়সে লেটো গানের দলে যোগ দেন।

প্রশ্ন-৭২. শাক্যমুনির কোন বংশে জন্ম?
উত্তর: শাক্যমুনির জন্ম শাকবংশে।

প্রশ্ন-৭৩. কবি কাজী নজরুল ইসলাম কত নম্বর বাঙালি পল্টনে সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন?
উত্তর; কবি কাজী নজরুল ইসলাম ৪৯ নম্বর বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন।

প্রশ্ন-৭৪. কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম গল্পের নাম কী?
উত্তর: কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম গল্প হলো ‘বাউণ্ডুলের আত্মকথা’।

প্রশ্ন-৭৫. কাজী নজরুল ইসলাম ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত হন কত সালে?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত হন ১৯৬০ সালে।

প্রশ্ন-৭৬. কে ‘নবযুগ’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন?
উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম ‘নবযুগ’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন।

প্রশ্ন-৭৭. ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন সাপ্তাহিক পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ‘বিজলি’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।

প্রশ্ন-৭৮. পার্সি, জৈন, ইহুদি, সাঁওতাল এরা কারা?
উত্তর: পার্সি, জৈন, ইহুদি, সাঁওতাল এরা ভিন্ন ভিন্ন সম্প্রদায়ের লোক।

প্রশ্ন-১. সকল ধর্ম ও ধর্মগ্রন্থের মূলকথা বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর: সকল ধর্ম ও ধর্মগ্রন্থের মূলকথা হচ্ছে সমতা ও মানবতাবোধ। পৃথিবীতে অনেক ধর্ম ও ধর্মগ্রন্থ রয়েছে। সব ধর্ম ও ধর্মগ্রন্থে সাম্যের কথা বলা হয়েছে এবং মানবতার জয়গান গাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ মানুষই সর্বশ্রেষ্ঠ এবং মানুষের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই— এ কথাই সকল ধর্মের মর্মবাণী।

প্রশ্ন-২. আরব-দুলাল কোরানের সাম-গান গেয়েছেন কেন?
উত্তর: মানুষের মধ্যে সমতা প্রতিষ্ঠার জন্যেই আরব-দুলাল পবিত্র কোরনের সাম-গান গেয়েছেন। পৃথিবীর সকল ধর্মেই মানুষের মধ্যে সমতার কথা বলা হয়েছে। কেননা এ পৃথিবীতে মানুষের চেয়ে মহীয়ান আর কিছুই নেই। তাই কোনো মানুষকে ছোট করে দেখা উচিত নয়। আর এ সাম্যকে অগ্রাধিকার দিতেই কোরানের সাম্যের কথা বলা হয়েছে, যা গেয়েছেন। আরব-দুলাল হজরত মুহম্মদ (স.)।

প্রশ্ন-৩. মানুষ কেন মৃত পুঁথিতে ঠাকুর-দেবতাকে খুঁজে ফেরে?
উত্তর: ঠাকুর-দেবতার বসবাস মানবহৃদয়ে, মানুষ এ সত্য বুঝতে পারে না বলে পুঁথিতে ঠাকুর-দেবতাকে খুঁজে ফেরে। মানুষের হৃদয়ের মাঝে দেবতার আসন। কিন্তু অনেকেই তা বুঝতে পারে না। ধর্মগ্রন্থে ঠাকুর-দেবতার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করে। মূলত মানুষের হৃদয়েই স্রষ্টার বাস। তাই মানবমনকে জয় করতে পারলে ঠাকুর-দেবতাকে পাওয়া যায়।

প্রশ্ন-৪, ‘তোমাতে রয়েছে সকল ধর্ম, সকল যুগাবতার’- এখানে ‘তোমাতে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ‘তোমাতে রয়েছে সকল ধর্ম, সকল যুগাবতারা এখানে ‘তোমাতে’ বলতে মানবহৃদয়কে বোঝানো হয়েছে। মানুষের হৃদয় জ্ঞানের অপার ভাণ্ডার। সকল ধর্ম, ধর্মের মূলমন্ত্র মানুষের হৃদয়ের মধ্যেই সংকলিত রয়েছে। আর মহাপুরুষগণ মানবহৃদয়ের সত্যতাকে ধারণ করেন এবং প্রচার করেন। তাই সকল ধর্ম, যুগাবতার মানুষের মধ্যেই রয়েছে।

প্রশ্ন-৫, ‘কে তুমি? — পার্সি?জৈন? ইহুদি? সাঁওতাল, ভীল, গারো?’ – পড়ক্তিটি দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন?
উত্তর: ‘কে তুমি?– পার্সি? জৈন? ইহুদি? সাঁওতাল, ভীল, গারো? পড়ক্তিটি দ্বারা কবি পৃথিবীর সকল জাতির মাঝে বিদ্যমান অভিন্ন সত্তাকে বুঝিয়েছেন। পৃথিবীর নানা জাতি-ধর্ম-বর্ণ প্রভৃতি দিক থেকে নিজেদের আলাদা করার ক্ষেত্রে সদা সচেষ্ট, যা মানবতাবাদী, অসাম্প্রদায়িক কবি মেনে নিতে পারেননি। তাই তিনি তাদের উদ্দেশ্যে আলোচ্য প্রশ্নগুলো করেছেন। পৃথিবীর সকল মানুষ যে সমান এবং তাদের মাঝে যে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়— এ বিষয়টিই কবি উদ্ধৃত পঙক্তিটির দ্বারা বুঝিয়েছেন।

প্রশ্ন-৬. ‘যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ মুসলিম-ক্রিশ্চান।’ উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ‘যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ মুসলিম-ক্রিশ্চান।’ উক্তিটি দ্বারা ধর্মীয় সাম্য তথা অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে বোঝানো হয়েছে। কবি অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। তাঁর এই চেতনা তিনি মানবসমাজের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চান। এ কারণে তিনি সাম্প্রদায়িকতার দেয়াল ভেঙে মানুষকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। ধর্ম-বর্ণ নয়, বরং সকল মানুষের পরিচয় হবে মানুষ। উদ্ধৃত পঙক্তি দ্বারা এ বিষয়টিই বোঝানো হয়েছে।

প্রশ্ন-৭, ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় কবি অন্তরধর্মের ওপর জোর দিয়েছেন কেন?
উত্তর: বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্যে ‘সাম্যবাদী’ কবিতায় কবি অন্তরধর্মের ওপর জোর দিয়েছেন। পৃথিবী আজ নানা ধর্ম-বর্ণের মানুষে বিভক্ত। এ বিভক্তির দেয়াল কবিকে পীড়া দিয়েছে। তিনি লক্ষ করেছেন, পৃথিবীর সকল ধর্মের মূল লক্ষ্য মানবতাবোধ ও সমতা বিধান, যা একমাত্র মানুষের অন্তরেই বিদ্যমান। তা ছাড়া মানবহৃদয়ই সকল ঐশ্বর্যের মূল এ কারণেই তিনি অন্তরধর্মের ওপর জোর দিয়েছেন।

প্রশ্ন-৮. শাক্যমুনি সিংহাসন ত্যাগ করলেন কেন?
উত্তর: মানবের মহা-বেদনায় ডাক শুনে তাদের সহযোগিতা করার জন্য শাক্যমুনি সিংহাসন ত্যাগ করলেন। কোনো বিবেকবান মানুষই মানুষের দুঃখ-কষ্ট দেখে স্থির থাকতে পারে না। মহামানব শাক্যমুনি সিংহাসনে থাকা অবস্থায়ও মানুষের দুঃখ বেদনা অনুভব করে পীড়িত হন। এসব অসহায় মানুষের মুক্তির পথ খোঁজার জন্যেই তিনি সিংহাসন ত্যাগ করেন।

প্রশ্ন-৯, ‘মসজিদ এই, মন্দির এই গির্জা এই হৃদয়’- পঙ্ক্তিটি দ্বারা কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর: ‘মসজিদ এই, মন্দির এই, গির্জা এই হৃদয়’— পঙ্ক্তিটি দ্বারা কবি মানুষের হৃদয়ই যে সকল ঐশ্বর্যের আধার— এ বিষয়টি বোঝাতে চেয়েছেন। তীর্থস্থান যেমন পবিত্র, মানবহৃদয়ও তেমনি পবিত্র। মনুষ্যত্বের উদ্ভব ও বিকাশ হৃদয়েই সংঘটিত হয়। হৃদয় পরিপুষ্ট হলেই মনুষ্যত্বের ‘জাগরণ ঘটে। আলোচ্য পক্তিটির দ্বারা কবি এ বিষয়টি বোঝাতে চেয়েছেন।

প্রশ্ন-১০. ‘কোরান-পুরাণ-বেদ-বেদান্ত’ চৰ্চাকে কবি পণ্ডশ্রম হিসেবে দেখেছেন কেন?
উত্তর: ধর্মগ্রন্থের পাঠক-অনুসারীরা সাধারণত সেসব গ্রন্থের মর্মবাণী অনুধাবনে ব্যর্থ হন বলে কবি এটাকে পণ্ডশ্রম হিসেবে দেখেছেন। শাস্ত্রের সুবচন মানবতার কথা বলে, মানুষের কল্যাণের কথা বলে। প্রত্যেক ধর্মের মানুষের পৃথক ধর্মগ্রন্থ থাকলেও প্রতিটি ধর্মগ্রন্থের মূলমন্ত্র হলো নৈতিক শিক্ষা ও সাম্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গির প্রচার। কিন্তু ধর্মগ্রন্থের বেশির ভাগ পাঠক ও অনুসারী সেসব ধর্মগ্রন্থের মর্মবাণী অনুধাবন এবং তা অন্তরে ধারণ করতে ব্যর্থ হন। তাই কবি ‘কোরান-পুরাণ-বেদ-বেদান্ত’ চর্চাকে পণ্ডশ্রম হিসেবে দেখেছেন।

প্রশ্ন-১১. কবি কেন নিজের প্রাণের মাঝে শাস্ত্রকে খুঁজতে বলেছেন?
উত্তর: সকল শাস্ত্রের সারকথা মানবহৃদয়ের মধ্যেই সংকলিত আছে, তাই কবি নিজের প্রাণের মাঝে শাস্ত্রকে খুঁজতে বলেছেন । পৃথিবীর নানা জাতির নানা ধর্মগ্রন্থ বা শাস্ত্র রয়েছে। সেসব শাস্ত্রের মর্মবাণী হলো মানবতাবোধ ও সমতার দৃষ্টিভঙ্গি। মানুষ যদি মানবিকতাবোধ ও সাম্যের চেতনায় ঋদ্ধ হয় তবে শাস্ত্রের এসব মর্মবাণী আপন হৃদয়েই উদ্ভাসিত হতে পারে। তাই কবি বিচিত্র ধর্মগ্রন্থ না ঘেঁটে বরং নিজের প্রাণের মাঝে শাস্ত্রকে খুঁজতে বলেছেন।

প্রশ্ন-১২. কাজী নজরুল ইসলামকে সাম্যের কবি বলা হয় কেন?
উত্তর: সাম্যের চেতনায় বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে চেয়েছিলেন বলে কাজী নজরুল ইসলাকে সাম্যের কবি বলা হয়। কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যকার বৈষম্য দূর করতে সাম্যের জয়গান গেয়েছেন। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র ইত্যাদি নানা পরিচয়ে মানুষের মাঝে বিদ্যমান বিভেদের দেয়ালগুলো ভেঙে দিতে তিনি লেখনী ধারণ করেছিলেন। মানুষে মানুষে সমতা সৃষ্টির মাধ্যমে সুখী ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনই ছিল তাঁর মূল অভিপ্রায়। তাই কাজী নজরুল ইসলামকে সাম্যের কবি বলা হয়।

প্রশ্ন-১৩. ‘সকল কালের জ্ঞান’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
উত্তর : ‘সকল কালের জ্ঞান’ বলতে কবি পৃথিবীর সব কালের সবসময়ের জ্ঞানের পরিধিকে বুঝিয়েছেন। পৃথিবীতে মানুষকে সত্য পথের দিশা দিতেই ধর্মের আবির্ভাব হয়েছে। তাই সকল ধর্মগ্রন্থ এমনকি জ্ঞানগ্রন্থ খুঁজলে সেখানে মানুষকেই পাওয়া যাবে। মানুষ সকল শাস্ত্র ব্যাখ্যা করে সত্যের পথকে উন্মোচিত করেছে। সত্যের পথ ও জ্ঞান পৃথিবীতে চিরকাল ঘূর্ণায়মান; তাই এ জ্ঞানের পরিধিকে কবি সকল কালের জ্ঞান বলেছেন।

প্রশ্ন-১৪, ‘বাঁশির কিশোর গাহিলেন মহা-গীতা’— বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
উত্তর : উক্তিটি দ্বারা কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের প্রাক্কালে শ্রীকৃষ্ণ কর্তৃক অর্জুনকে গীতায় উল্লেখিত জ্ঞানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে অর্জুনকে কর্মরহিত দেখে শ্রীকৃষ্ণ তাঁকে গীতাজ্ঞান প্রদান করেন। এই জ্ঞানে পৃথিবীর মানুষের জন্যে আচরণীয় সকল পথকে উন্মোচিত করা হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণ বাঁশি বাজাতেন বলেই কবি তাঁকে বাঁশির কিশোর বলেছেন।

আশাকরি আজকের আর্টিকেল টি ভালো লেগেছে। ভালো লাগলে আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ।

About মেরাজুল ইসলাম

আমি মেরাজুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী পাশাপাশি একজন ব্লগার। এডুকেশন এর প্রতি ভালোবাসাও অনলাইল শিক্ষার পরিসর বাড়ানোর জন্য এডুকেশন ব্লগের পথচলা। ব্লগিং এর পাশাপাশি আমি ওয়েবসাইট ডিজাইন, কন্টেন্ট রাইটিং, কাস্টমাইজ সহ ওয়েব রিলেটেড সকল কাজ করি।

Check Also

নেকলেস গল্পের প্রশ্ন ও উত্তর

আপনি কি নেকলেস গল্পের প্রশ্ন ও উত্তর খুজতেছেন? আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের জন্য। আজকের আর্টিকেলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *