যানজট নিরসনের জন্যে সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য পত্র

যানজট নিরসনের জন্যে সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য পত্র: সংবাদপত্রে প্রতিবেদন প্রকাশ করার জন্য সম্পাদক বরাবার পত্র বা চিঠি লিখতে হয়। এরপর সম্পাদক সেই প্রতিবেদন টি তার পত্রিকায় প্রকাশ করে। আপনি যদি পত্রিকার প্রতিনিধি না হন বা স্টাফ রিপোর্টার না হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার প্রতিবেদন সংবাদ পত্রে প্রকাশের জন্য সম্পাদক বরাবর চিঠি পাঠাতে হবে।

যানজট নিরসনের জন্যে সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য পত্র

তারিখ : ২২ মে, ২০১০
সম্পাদক,
দৈনিক ইত্তেফাক,
১ রামকৃষ্ণ মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩।

জনাব,
আপনার সম্পাদিত বহুল প্রচারিত পত্রিকার ‘চিঠিপত্র’ বিভাগে নিম্নলিখিত পত্রটি প্রকাশ করলে বাধিত হব।

বিনীত
‘খ’, ২২, র‍্যাঙ্কিন স্ট্রিট, ওয়ারি, ঢাকা।

যানজট ঢাকার জীবনের গতিকে স্তব্ধ করে দিচ্ছে

রাজধানী শহর ঢাকা দেশের প্রাণকেন্দ্র। কিন্তু বর্তমানে যানজট এ শহরে একটি নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজধানীতে ট্রাফিক সিগন্যাল পয়েন্টে যানজটের কারণে প্রতিদিন ৫ কোটি টাকার জ্বালানি অতিরিক্ত খরচ হয়। শহরের ব্যস্ততম এলাকা বিশেষ করে জনসন রোড, সায়েদাবাদ, মতিঝিল ও গুলিস্তান এলাকায় প্রতিনিয়ত যানজট লেগেই থাকে। যানজটের কারণে যাত্রীদের প্রতিদিন অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়।


🔆 আরও দেখুন: চাকরি থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন (নমুনা উদাহরণ সহ)
🔆🔆 আরও দেখুন: চাকরির দরখাস্ত লেখার নিয়ম – নমুনা ও পিডিএফ সহ
🔆🔆 আরও দেখুন: চিঠি লেখার নিয়ম। পত্র লেখার সঠিক নিয়ম জানুন


সাধারণ পথচারী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের জনগণকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় অপচয় করতে হয়। যানজটের কারণে একজন নগরবাসীর বছরে ১২ দিন সময় নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আমাদের দৈনন্দিন কাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে রোগী। বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি গন্তব্যে পৌছার ক্ষেত্রে বিরাট বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই যানজট। যে কোনো মুহূর্তে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু এ অবস্থা নিরসনে প্রয়োজনীয় কোনো উদ্যোগ লক্ষ করা যাচ্ছে না। এ অবস্থা নিরসন কল্পে কয়েকটি বিষয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নিলে ও কার্যকর করলে যানজট এখনই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব:

১) গাড়ির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা খুবই জরুরি, (২) বেশির ভাগ রাস্তাকে ওয়ানওয়ে করা ও ক্রসিং কমিয়ে দেওয়া, (৩) আইনের কঠোর প্রয়োগ করা, (৪) যে কোনো স্ট্রাকচার নির্মাণের আগে প্রতিটা গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বহুমুখী ফ্লাইওভার (ইন্টারসেকশন ট্রাফিক সিস্টেম) নির্মাণ করা, যাতে যে কোনো মোড়ে কোনো গাড়ি ট্রাফিক সিগন্যাল ছাড়া নিজের পথে চলতে পারে। (৫) এছাড়া ট্রাফিক সিগন্যাল বাতিগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে না চালিয়ে প্রতিটি পয়েন্টে উপ-নিয়ন্ত্রণ কক্ষ অথবা রিমোট কন্ট্রোল সিস্টেম করলে কিছুটা যানজট নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। (৬) শহর থেকে কিছু হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস-আদালত শহরের বাইরে নিয়ে যেতে হবে। (৭) রাস্তা ও তার পাশ থেকে অবৈধ স্থাপনা ও ফুটপাত দখলকারীদের উচ্ছেদ করতে হবে। (৮) নতুন নতুন রাস্তা তৈরিসহ রাস্তা প্রশস্ত করতে হবে। (৯) পাতাল রেলের ব্যবস্থা করতে হবে।

উপর্যুক্ত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করলে যানজটের তীব্রতা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়।

নিবেদক
‘খ’
২২, র‍্যাঙ্কিন স্ট্রিট, ওয়ারি, ঢাকা।

আশা করছি আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। এর পরও কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে আমাদের কমেন্টে বলতে পারেন। আমরা দ্রুততার সহিত আপনার মূল্যবান কমেন্ট এর রিপলে করার চেষ্টা করবো। ভালো থাকবেন সবাই, ধন্যবাদ।

About মেরাজুল ইসলাম

আমি মেরাজুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী পাশাপাশি একজন ব্লগার। এডুকেশন এর প্রতি ভালোবাসাও অনলাইল শিক্ষার পরিসর বাড়ানোর জন্য এডুকেশন ব্লগের পথচলা। ব্লগিং এর পাশাপাশি আমি ওয়েবসাইট ডিজাইন, কন্টেন্ট রাইটিং, কাস্টমাইজ সহ ওয়েব রিলেটেড সকল কাজ করি।

Check Also

নেকলেস গল্পের প্রশ্ন ও উত্তর

আপনি কি নেকলেস গল্পের প্রশ্ন ও উত্তর খুজতেছেন? আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের জন্য। আজকের আর্টিকেলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *