নেকলেস গল্পের প্রশ্ন ও উত্তর

আপনি কি নেকলেস গল্পের প্রশ্ন ও উত্তর খুজতেছেন? আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের জন্য। আজকের আর্টিকেলে নেকলেস গল্পের প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করা হবে। কথা না বাড়িয়ে তাহলে চলুন শুরু করি।


নেকলেস গল্পের প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১. গী দ্য মোপাসাঁর পুরো নাম কী?
উত্তর: গী দ্য মোপাসাঁর পুরো নাম Henri Renri- Albert Guy de Maupassant.

প্রশ্ন-২. গী দ্য মোপাসাঁর পিতার নাম কী?
উত্তর: গী দ্য মোপাসাঁর পিতার নাম গুস্তাভ দ্য মোপাসাঁ।

প্রশ্ন-৩, মোপাসাঁর মায়ের নাম কী ছিল?
উত্তর: মোপাসাঁর মায়ের নাম ছিল লরা লি পয়টিভিন।

প্রশ্ন-৪, কত সালে মোপাসা একটি নিম্ন মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি হন?
উত্তর: ১৮৬৭ সালে মোপাসাঁ একটি নিম্ন মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি হন।

প্রশ্ন-৫, গী দ্য মোপাসাঁর নিম্ন মাধ্যমিক স্কুলে কোন বিখ্যাত ঔপন্যাসিকের সাথে পরিচয় হয়?
উত্তর: গী দ্য মোপাসাঁর নিম্ন মাধ্যমিক স্কুলে বিখ্যাত ঔপন্যাসিক গুস্তাভ ফ্লবেয়ারের সাথে পরিচয় হয়।

প্রশ্ন-৬, ‘নেকলেস’ গল্পটি কত সালে ফরাসি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ‘নেকলেস’ গল্পটি ১৮৮৪ সালে ফরাসি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

প্রশ্ন-৭, গী দ্য মোপাসাঁ কত সালে মারা যান?
উত্তর: গী দ্য মোপাসাঁ ১৮৯৩ সালে মারা যান।

প্রশ্ন-৮, ‘নেকলেস’ গল্পটির অনুবাদকের নাম কী?
উত্তর: ‘নেকলেস’ গল্পটির অনুবাদকের নাম পূর্ণেন্দু দস্তিদার ।

প্রশ্ন-৯. পূর্ণেন্দু দস্তিদার কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: পূর্ণেন্দু দস্তিদার চট্টগ্রামের পটিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন-১০. পূর্ণেন্দু দস্তিদার কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: পূর্ণেন্দু দস্তিদার ১৯০৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন-১১. পূর্ণেন্দু দস্তিদারের মাতার নাম কী?
উত্তর: পূর্ণেন্দু দস্তিদারের মাতার নাম কুমুদিনী দস্তিদার।

প্রশ্ন-১২. পূর্ণেন্দু দস্তিদারের পিতার নাম কী?
উত্তর: পূর্ণেন্দু দস্তিদারের পিতার নাম চন্দ্রকুমার দস্তিদার।

প্রশ্ন-১৩, পূর্ণেন্দু দস্তিদার পেশায় কী ছিলেন?
উত্তর: পূর্ণেন্দু দস্তিদার পেশায় আইনজীবী ছিলেন।

প্রশ্ন-১৪, পূর্ণেন্দু দস্তিদার কার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহে অংশ নেন?
উত্তর: পূর্ণেন্দু দস্তিদার মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহে অংশ নেন।

প্রশ্ন-১৫, পূর্ণেন্দু দস্তিদার কত সালে মারা যান?
উত্তর: পূর্ণেন্দু দস্তিদার ১৯৭১ সালে মারা যান।

প্রশ্ন-১৬. ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ কোন লেখকের প্রকাশিত গ্রন্থ?
উত্তর: ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ পূর্ণেন্দু দস্তিদারের প্রকাশিত গ্রন্থ।

প্রশ্ন-১৭. মাদাম লোইসেলের কয়জন ভৃত্য থাকবে বলে তিনি কল্পনা করেন?
উত্তর: মাদাম লোইসেলের দুইজন ভৃত্য থাকবে বলে তিনি কল্পনা করেন।

প্রশ্ন-১৮. মাদাম লোইসেলের ভৃত্যগুলো দেখতে কেমন থাকবে?
উত্তর: মাদাম লোইসেলের ভৃত্যগুলো দেখতে মোটাসোটা থাকবে।

প্রশ্ন-১৯. মাদাম লোইসেলের সান্ধ্যভোজের টেবিলটা কোন আকৃতির ছিল?
উত্তর: মাদাম লোইসেলের সান্ধ্যভোজের টেবিলটা গোল আকৃতির ছিল।

প্রশ্ন-২০. সান্ধ্যভোজে মাদাম লোইসেল তাঁর স্বামীর কোন দিকে বসেন?
উত্তর: সান্ধ্যভোজে মাদাম লোইসেল তাঁর স্বামীর বিপরীত দিকে বসেন ৷

প্রশ্ন-২১. খামটি ছিঁড়ে মাদাম লোইসেল কী বের করেন?
উত্তর: খামটি ছিঁড়ে মাদাম লোইসেল একখানা ছাপানো কার্ড বের করেন।

প্রশ্ন-২২. পোশাক কেনার জন্যে মাদাম লোইসেল কত ফ্রাঁ চেয়েছিলেন?
উত্তর: পোশাক কেনার জন্যে মাদাম লোইসেল চারশত ফ্রাঁ চেয়েছিলেন।

প্রশ্ন-২৩, মি. লোইসেলের কার সঙ্গে শিকারে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা?
উত্তর: মি. লোইসেলের তাঁর বন্ধুদের সাথে শিকারে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা।

প্রশ্ন-২৪. মি. লোইসেল মাদাম লোইসেলকে কী ফল দিয়ে সাজতে বলেছিলেন?
উত্তর: মি. লোইসেল মাদাম লোইসেলকে গোলাপ ফুল দিয়ে সাজতে বলেছিলেন।

প্রশ্ন-২৫. ‘নেকলেস’ গল্পে দু-তিনটি গোলাপের দাম কত ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে?
উত্তর: ‘নেকলেস’ গল্পে দু-তিনটি গোলাপের দাম দশ ফ্রাঁ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রশ্ন-২৬. মাদাম লোইসেলের বান্ধবীর নাম কী?
উত্তর: মাদাম লোইসেলের বান্ধবীর নাম মাদাম ফোরসটিয়ার।

প্রশ্ন-২৭. বাক্সটি খুলে মাদাম লোইসেল প্রথমে কী দেখলেন?
উত্তর: বাক্সটি খুলে মাদাম লোইসেল প্রথমে কয়েকটি কঙ্কণ দেখলেন।

প্রশ্ন-২৮. জনশিক্ষামন্ত্রী কার দিকে দৃষ্টি দিচ্ছিলেন?
উত্তর: জনশিক্ষামন্ত্রী মাদাম লোইসেলের দিকে দৃষ্টি দিচ্ছিলেন।

প্রশ্ন-২৯, হতাশ হয়ে লোইসেল দম্পতি কোন দিকে হাঁটেন?
উত্তর: হতাশ হয়ে লোইসেল দম্পতি সিন নদীর দিকে হাঁটেন।

প্রশ্ন-৩০, কতদিন পর লোইসেল দম্পতি হারের সব আশা ত্যাগ করলেন?
উত্তর: এক সপ্তাহ পর লোইসেল দম্পতি হারের সব আশা ত্যাগ করলেন।

প্রশ্ন-৩১. হীরার হারটি বিক্রি না করার জন্যে লোইসেল কাকে অনুরোধ করেন?
উত্তর: হীরার হারটি বিক্রি না করার জন্যে লোইসেল স্বর্ণকারকে অনুরোধ করেন।

প্রশ্ন-৩২. ‘নেকলেস’ গল্পে চুক্তিমতো হারটি ফেরত দিলে লোইসেল কত ফ্রাঁ ফেরত পাবেন?
উত্তর: ‘নেকলেস’ গল্পে চুক্তিমতো হারটি ফেরত দিলে লোইসেল চৌত্রিশ হাজার ফ্রাঁ ফেরত পাবেন।

প্রশ্ন-৩৩, অতিরিক্ত আয়ের জন্যে মি. লোইসেল কী করতেন?
উত্তর: অতিরিক্ত আয়ের জন্যে মি. লোইসেল ব্যবসায়ীর খাতা ঠিক করতেন।

প্রশ্ন-৩৪, মাদাম লোইসেলকে গল্পে অন্য কী নামে ডাকা হয়েছে?
উত্তর: মাদাম লোইসেলকে গল্পে মাতিলদা নামে ডাকা হয়েছে।

প্রশ্ন-৩৫, চামপস্-এলিসিসে মাদাম লোইসেল কোন দিন ঘুরছিলেন?
উত্তর: চামপস্-এলিসিসে মাদাম লোইসেল রবিবার দিন ঘুরছিলেন।

প্রশ্ন-৩৬. সান্ধ্যভোজে মাদাম লোইসেল কীসের পাখনা খাবেন বলে কল্পনা করেন?
উত্তর: সান্ধ্যভোজে মাদাম লোইসেল মুরগির পাখনা খাবেন বলে কল্পনা করেন।

প্রশ্ন-৩৭. মাদাম লোইসেলের সান্ধ্যভোজে কী মাছ থাকবে?
উত্তর: মাদাম লোইসেলের সান্ধ্যভোজে গোলাপি রঙের রোহিত মাছ থাকবে।

প্রশ্ন-৩৮. কার গৃহে লোইসেল দম্পতি নিমন্ত্রণ পান?
উত্তর: জনশিক্ষামন্ত্রীর গৃহে লোইসেল দম্পতি নিমন্ত্রণ পান।

প্রশ্ন-৩৯. বল নাচের অনুষ্ঠানে কার জয়জয়কার ছিল?
উত্তর: বল নাচের অনুষ্ঠানে মাদাম লোইসেলের জয়জয়কার ছিল।

প্রশ্ন-৪০. কার সাথে দেখা হওয়ার পর থেকে লোইসেলের দুর্দিন যাচ্ছে?
ত্তর: মাদাম ফোরসটিয়ারের সাথে দেখা হওয়ার পর থেকে মাদাম লোইসেলের দুর্দিন যাচ্ছে।

প্রশ্ন-৪১. কত তারিখে জনশিক্ষামন্ত্রীর বাড়িতে আমন্ত্রণ ছিল?
উত্তর: ১৮ই জানুয়ারি জনশিক্ষামন্ত্রীর বাড়িতে আমন্ত্রণ ছিল

প্রশ্ন-৪২. জনশিক্ষামন্ত্রীর স্ত্রীর নাম কী?
উত্তর: জনশিক্ষামন্ত্রীর স্ত্রীর নাম মাদাম জর্জ রেমপনু।

প্রশ্ন-৪৩. মাতিলদাকে কে ফুল দিয়ে সাজতে বলেছিলেন?
উত্তর: মাতিলদাকে লোইসেল ফুল দিয়ে সাজতে বলেছিলেন।

প্রশ্ন-৪৪. গায়ে জড়াবার জন্যে তিনি কী নিয়ে এসেছিলেন?
উত্তর: গায়ে জড়াবার জন্যে তিনি আটপৌরে সাধারণ চাদর নিয়ে এসেছিলেন।

প্রশ্ন-৪৫. মি. লোইসেল মাদাম লোইসেলের থেকে কত বছরের বড় ছিলেন?
উত্তর: মি. লোইসেল মাদাম লোইসেলের থেকে পাঁচ বছরের বড় ছিলেন।

প্রশ্ন-৪৬. বাক্সের ভেতরে কার নাম লেখা ছিল?
উত্তর: বাক্সের ভেতরে স্বর্ণকারের নাম লেখা ছিল।

প্রশ্ন-৪৭. লোইসেল দম্পতি কোথায় হারানো হারটির মতো আরেকটি হারের দেখা পেল?
উত্তর: লোইসেল দম্পতি প্যালেস রয়েলে হারানো হারটির মতো আরেকটি হারের দেখা পেল।

প্রশ্ন-৪৮, কত দামে লোইসেল দম্পতি হারটি পেতে পারে?
উত্তর: চল্লিশ হাজার ফ্রাঁ-তে লোইসেল দম্পতি হারটি পেতে পারে।

প্রশ্ন-৪৯, লোইসেলের কাছে বাবার মৃত্যুর পর কত হাজার ফ্রা ছিল?
উত্তর: লোইসেলের কাছে বাবার মৃত্যুর পর আঠারো হাজার ফ্রাঁ ছিল।

প্রশ্ন-৫০, মাদাম লোইসেলকে দেখলে এখন কী মনে হয়?
উত্তর: মাদাম লোইসেলকে দেখলে এখন বয়স্কা মনে হয়।

প্রশ্ন-৫১. সুন্দরী তরুণীর কোন পরিবারের জন্ম হয়েছে?
উত্তর: সুন্দরী তরুণীর কেরানির পরিবারে জন্ম হয়েছে।

প্রশ্ন-৫২. কনভেন্ট কী?
উত্তর: কনভেন্ট হলো খ্রিষ্টান নারী মিশনারিদের দ্বারা পরিচালিত স্কুল।

প্রশ্ন-৫৩. ‘বল’ নাচ কী?
উত্তর: ‘বল’ নাচ হলো বিনোদনমূলক সামাজিক নৃত্যানুষ্ঠান।

প্রশ্ন-৫৪. ‘স্যাটিন’ কীসের নাম?
উত্তর: ‘স্যাটিন’ মসৃণ ও চকচকে রেশমি বস্ত্রের নাম।

প্রশ্ন-৫৫. ‘প্যালেস রয়েল’ অর্থ কী?
উত্তর: প্যালেস রয়েল অর্থ রাজকীয় প্রাসাদ।

প্রশ্ন-৫৬. মন্ত্রিসভার সব সদস্যের কার সঙ্গে ‘ওয়ালটজ’ করতে ইচ্ছা হচ্ছিল?
উত্তর: মন্ত্রিসভার সব সদস্যের মাদাম লোইসেলের সঙ্গে ‘ওয়ালটজ’ নৃত্য করতে ইচ্ছা হচ্ছিল।

প্রশ্ন-৫৭. আনন্দে মত্ত হয়ে আবেগ ও উৎসাহ নিয়ে কে মৃত্য করছিল?
উত্তর: আনন্দে মত্ত হয়ে আবেগ ও উৎসাহ নিয়ে মাদাম লোইসেল নৃত্য করছিল।

প্রশ্ন-৫৮. কোন ভাষায় ‘নেকলেস’ গল্পটির নাম ‘La Parure’?
উত্তর: ফরাসি ভাষায় ‘নেকলেস’ গল্পটির নাম ‘La Parure’।

প্রশ্ন-৫৯. ফরাসি কোন পত্রিকায় ‘নেকলেস’ গল্পটি প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ফরাসি ‘La Gaulois’ পত্রিকায় ‘নেকলেস’ গল্পটি প্রকাশিত হয়।

প্রশ্ন-৬০. ‘নেকলেস’ গল্পটির লেখক কে?
উত্তর: ‘নেকলেস’ গল্পটির লেখক গী দ্য মোপাসাঁ।

প্রশ্ন-৬১. মোপাসাঁ কত সালে নিম্নমাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি হন?
উত্তর: মোপাসাঁ ১৮৬৭ সালে নিম্নমাধ্যমিক স্কুলে ভর্তি হন।

প্রশ্ন-৬২. মাদাম লোইসেলের সহপাঠিনীর নাম কী?
উত্তর: মাদাম লোইসেলের সহপাঠিনীর নাম মাদাম ফোরস্টিয়ার।

প্রশ্ন-৬৩. লোইসেল দম্পতির শরীর খারাপ হওয়ার কারণ কী?
উত্তর: লোইসেল দম্পতির শরীর খারাপ হওয়ার কারণ বিরক্তি ও উদ্বেগ।

প্রশ্ন-৬৪, বন্দুক কিনতে মসিয়ে লোইসেল কত ফ্রা সঞ্চয় করেছিলেন?
উত্তর: বন্দুক কিনতে মসিয়ে চারশ ফ্রাঁ সঞ্চয় করেছিলেন।

প্রশ্ন-৬৫. ‘নেকলেস’ গল্পে প্রত্যেক মাসেই সময় চেয়ে লোইসেলকে কী বদল করতে হয়?
উত্তর: ‘নেকলেস’ গল্পে প্রত্যেক মাসেই সময় চেয়ে লোইসেলকে। কিছু দলিল বদল করতে হয়।

প্রশ্ন-৬৬. মাদাম ফোরসটিয়ায়ের গহনার দাম কত ছিল?
উত্তর: মাদাম ফোরসটিয়ারের গহনার দাম ছিল পাঁচশত ফ্রাঁর মতো।

প্রশ্ন-৬৭. গী দ্য মোপাসাঁ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: গী দ্য মোপাসাঁ ফ্রান্সের নর্মান্ডি শহরে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন-৬৮. মাদাম লোইসেল কোন অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্যে তাঁর বান্ধবীর কাছ থেকে হারটি ধার নিয়েছিলেন?
উত্তর: মাদাম লোইসেল বল নাচের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্যে তাঁর বান্ধবীর কাছ থেকে হারটি ধার নিয়েছিলেন।

প্রশ্ন-৬৯. দীর্ঘদিন পরে মাদাম ফোরসটিয়ারের সাথে মাদাম লোইসেলের কোথায় দেখা হয়েছিল?
উত্তর: দীর্ঘদিন পরে মাদাম ফোরসটিয়ারের সাথে মাদাম লোইসেলের চামপস্-এলিসিসে দেখা হয়েছিল।

প্রশ্ন-৭০. মি. লোইসেলের বন্ধুরা কী শিকার করতে গিয়েছিল?
উত্তর: মি. লোইসেলের বন্ধুরা ভরতপাখি শিকার করতে গিয়েছিল।

প্রশ্ন-৭১. বল নাচে যাওয়ার জন্যে মাদাম লোইসেল কার কাছ থেকে হারটি ধার নিয়েছিলেন?
উত্তর: বল নাচে যাওয়ার জন্যে মাদাম লোইসেল মাদাম ফোরসটিয়ারের কাছ থেকে হারটি ধার নিয়েছিলেন।

প্রশ্ন-৭২. মি. লোইসেল ও তাঁর স্ত্রী ঋণ শোধের জন্যে কত বছর কষ্ট করেছিলেন?
উত্তর: মি. লোইসেল ও তাঁর স্ত্রী ঋণ শোধের জন্যে দশ বছর কষ্ট  করেছিলেন।

প্রশ্ন-৭৩, নিয়তির ভুলেই যেন এক কেরানির পরিবারে তাঁর জন্ম হয়েছে?
উত্তর: ‘নিয়তির ভুলেই যেন এক কেরানির পরিবারে তাঁর জন্ম হয়েছে’—এখানে ‘তাঁর’ বলতে মাদাম লোইসেলকে নির্দেশ করা হয়েছে।

প্রশ্ন-৭৪. হারটি খুঁজতে গিয়ে পরদিন সকাল কয়টার দিকে মি. লোইসেল বাড়ি ফিরে এলেন?
উত্তর: হারটি খুঁজতে গিয়ে পরদিন সকাল সাতটার দিকে মি. লোইসেল বাড়ি ফিরে এলেন।

প্রশ্ন-৭৫. ‘নেকলেস’ গল্পটিতে কে দরিদ্র জীবনের ভয়াবহতা বুঝতে পারেন?
উত্তর: ‘নেকলেস’ গল্পটিতে মাদাম লোইসেল দরিদ্র জীবনের ভয়াবহতা বুঝতে পারেন।

প্রশ্ন-৭৬. প্যালেস রয়েলে দেখা কণ্ঠহারের দাম কত?
উত্তর: প্যালেস রয়েলে দেখা কণ্ঠহারের দাম চল্লিশ হাজার ফ্রাঁ।

প্রশ্ন-৭৭, লোইসেল দম্পতির বাসা কোন স্ট্রিটে?
উত্তর: লোইসেল দম্পতির বাসা মার্টার স্ট্রিটে।

প্রশ্ন-৭৮. খাম নিয়ে সন্ধ্যায় কে ঘরে ফেরেন?
উত্তর: খাম নিয়ে সন্ধ্যায় মি. লোইসেল ঘরে ফেরেন।

প্রশ্ন-৭৯. লোইসেল দম্পতি প্রায়ই কী দেখতে যেতেন?
উত্তর: লোইসেল দম্পতি প্রায়ই থিয়েটার দেখতে যেতেন।

প্রশ্ন-৮০. মাদাম লোইসেলের সঙ্গে কার বিয়ে হয়েছিল?
উত্তর: মাদাম লোইসেলের সঙ্গে শিক্ষাপরিষদ অফিসের সামান্য এক কেরানির বিয়ে হয়েছিল।

প্রশ্ন-৮১. মাতিলদার স্বামী কোন আপিসের সামান্য এক কেরানি ছিলেন?
উত্তর: মাতিলদার স্বামী শিক্ষাপরিষদ আপিসের সামান্য এক কেরানি ছিলেন।

প্রশ্ন-৮২. মাদাম লোইসেলের ধার করা হারটি কীসের তৈরি ছিল?
উত্তর: মাদাম লোইসেলের ধার করা হারটি ছিল নকল হীরার তৈরি।

প্রশ্ন-১. অতিরিক্ত পরিশ্রম মাদাম লোইসেলের শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে?
উত্তর: অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে মাদাম লোইসেলকে বয়স্কা মনে মাদাম লোইসেল গরিব গৃহস্থ ঘরের শক্ত, কর্মঠ ও অমার্জিত মেয়ের মতো হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর চুল অবিন্যস্ত ও ঘাগরা একপাশে মোচড়ানো থাকত। দশ বছর পর মাদাম ফোরসটিয়ারের সঙ্গে তাঁর দেখা হলে ফোরসটিয়ার তাঁকে চিনতেই পারেননি।

প্রশ্ন-৩. মাদাম লোইসেলকে ফুল দিয়ে সাজতে বলার কারণ ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: মি. লোইসেলের কাছে মণিমুক্তা বা দামি পাথর কিনে দেওয়ার অর্থ ‘ছিল না বলে তিনি মাদাম লোইসেলকে ফুল দিয়ে সাজতে বলেছিলেন। মি. লোইসেল ছিলেন শিক্ষাপরিষদ অফিসের সামান্য কেরানি। তাঁর পক্ষে মাদাম লোইসেলকে দামি অলংকার কিনে দেওয়া সম্ভব ছিল না। তাই বল নাচের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্যে মাদাম লোইসেলকে তিনি ফুল দিয়ে সাজতে বলেছিলেন।

প্রশ্ন-২. মাদাম লোইসেল দুর্দশার জন্যে ফোরসটিয়ারকে দায়ী করলেন কেন?
উত্তর: ফোরসটিয়ারের কাছ থেকে ধার নেওয়া হারটি হারিয়েই মাদাম লোইসেল দুর্দশায় পড়েন। তাই তিনি ফোরসটিয়ারকে দুর্দশার জন্যে দায়ী করেছিলেন। মাদাম লোইসেল বল নাচের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্যে ফোরসটিয়ারের কাছ থেকে একটি হীরার হার ধার নিয়েছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে তিনি হারটি হারিয়ে ফেলেন। হারটির মূল্য পরিশোধ করতে তিনি দাসীকে বিদায় করে দিয়েছিলেন এবং বাসা পরিবর্তন করে নিচু ছাদের কামরা ভাড়া নিয়েছিলেন ।

প্রশ্ন-৪, মাদাম লোইসেলের সৃষ্টি কী জন্যে হয়েছে বলে তিনি মনে করতেন?
উত্তর: মাদাম লোইসেলের ধারণা, বিলাসী জীবনযাপন ও মণিমুক্তার আতিশয্যের জন্যেই তাঁর জন্ম হয়েছিল। সাধারণ পরিবারে তাঁর জন্ম হয়েছিল। অলংকারের প্রতি তাঁর মোহ ছিল। কিন্তু তাঁর কাছে দামি ফ্রক বা জড়োয়া গহনা বলতে কিছুই ছিল না। অথচ ওই সবই ছিল তাঁর প্রিয় বস্তু। তিনি কল্পনায় ওইগুলোর ছক-ই আঁকতেন।

প্রশ্ন-৫. লোইসেল দম্পতি নদীর দিকে হাঁটছিলেন কেন?
উত্তর: বাড়ি যাওয়ার গাড়ি না পেয়ে লোইসেল দম্পতি নদীর দিকে হাঁটছিলেন। অনুষ্ঠান শেষ করে রাস্তায় পৌঁছে তাঁরা কোনো গাড়ি পেলেন না। রাস্তায় অনেক দূর খোঁজ করেও কোনো সুফল হয়নি। এ কারণেই হতাশ হয়ে কাঁপতে কাঁপতে তাঁরা সিন নদীর দিকে হাঁটতে থাকেন।

প্রশ্ন-৬. মি. লোইসেলের মুখ ম্লান হয়ে গিয়েছিল কেন?
উত্তর: পোশাক কেনার জন্যে মাদাম লোইসেল চারশত ফ্রাঁ চাওয়ায় মি. লোইসেলের মুখ ম্লান হয়ে গিয়েছিল। বল নাচে যোগ দেওয়ার জন্যে মাদাম লোইসেল নতুন পোশাক কিনতে চেয়েছিলেন। মি. লোইসেল কিছু ফ্রা সঞ্চয় করেছিলেন বন্দুক কেনার জন্যে। মাদাম লোইসেলের পোশাক কিনলে তাঁর বন্দুক কেনা হবে না। এ কারণে মি. লোইসেলের মুখ ম্লান হয়ে গিয়েছিল।

প্রশ্ন-৭. প্যালেস রয়েলে হারটি মি. লোইসেল চুক্তিতে কেনেন কেন?
উত্তর: হারানো হারটি ফেরত পেলে ক্রয়কৃত হারটি ফেরত দেওয়ার উদ্দেশ্যে মি. লোইসেল চুক্তিতে হারটি কেনেন। প্যালেস রয়েল থেকে কেনা হারটির দাম ছিল ছত্রিশ হাজার ফ্রাঁ। বাবার মৃত্যুর পর প্রাপ্ত আঠারো হাজার ফ্রাঁ আর বাকি টাকা ধার করে মি. লোইসেল হারটি কেনেন। ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে হারানো হারটি পেলে ক্রয়কৃত হারটি ফেরত দিয়ে তাঁরা চৌত্রিশ হাজার ফ্রাঁ ফেরত পেতে পারতেন।

প্রশ্ন-৮. হীরার হারটি ধার পেয়ে মাদাম লোইসেল কেমন আবেগ দেখালেন?
উত্তর: হীরার হারটি ধার পেয়ে মাদাম লোইসেল সবেগে তাঁর বান্ধবীর গলা জড়িয়ে ধরলেন। পরম আবেগে তাঁকে বুকে চেপে ধরেন। মাদাম লোইসেলের অলংকারের প্রতি মোহ ছিল। অর্থ সংকটের কারণে তিনি তাঁর আশা পূর্ণ করতে পারছিলেন না। পরম আরাধ্য বস্তুকে হাতে পেয়ে তিনি তাঁর সবটুকু আবেগকে যেন প্রকাশ করেছিলেন।

প্রশ্ন-৯. মি. লোইসেলের নির্বাক ও হতবুদ্ধি হয়ে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: মাদাম লোইসেলকে ফুঁপিয়ে কাঁদতে দেখে মি. লোইসেল নির্বাক ও হতবুদ্ধি হয়ে পড়েন। মাদাম লোইসেল থিয়েটার দেখতে যাওয়ার জন্যে একটা পোশাক ব্যবহার করতেন। বল নাচের অনুষ্ঠানে মাদাম লোইসেলকে মি, লোইসেল ওই পোশাক পরে যেতে বলেছিলেন। এতে মাদাম লোইসেলের দু’চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে থাকে।

প্রশ্ন-১০. মাদাম লোইসেল অসুখী ছিলেন কেন?
উত্তর: মাদাম লোইসেলের কল্পনার জগৎ এবং বাস্তবতার জগৎ ভিন্ন ছিল বলে তিনি অসুখী ছিলেন। মাদাম লোইসেলের উচ্চাকাঙ্ক্ষা তাকে অসুখী করে তুলেছিল। তিনি তার ধনী বান্ধবীর সাথে নিজের তুলনা করতেন। ধনী বান্ধবীর সঙ্গে তিনি দেখা করতে চাইতেন না। তিনি নিজেকে গরিব মনে করতেন। অথচ তাঁর কল্পনার রাজ্যটি ছিল বিশাল।

প্রশ্ন-১১. মাদাম লোইসেলের কল্পনার রাজ্যটি কেমন ছিল?
উত্তর: মাদাম লোইসেলের কল্পনার রাজ্যটি ছিল বৈচিত্র্যপূর্ণ। তিনি কল্পনা করতেন তাঁর বৈঠকখানায় থাকবে রেশমি পর্দা, আসবাবপত্রগুলো থাকবে চমৎকার চিত্রশোভিত। ঘরে থাকবে। আরামকেদারা। সান্ধ্যভোজনে অপূর্ব খাদ্য হিসেবে থাকবে গোলাপি রঙের রোহিত মাছ অথবা মুরগির পাখনা। বিকেলে বন্ধুদের সাথে গল্পগুজবের জন্যে থাকবে আলাদা একটি কক্ষ। মোটাসোটা দুজন ভৃত্য থাকবে তাঁর বাড়িতে।

প্রশ্ন-১২. হারটি ফেরত দেওয়ার পরে মাদাম লোইসেলের মনে কোন ধরনের ভাবনার উদ্রেক হয়েছিল? ব্যাখ্যা করো। উত্তর: হারটি ফেরত দেওয়ার পর মাদাম লোইসেলের মনে হয়েছিল। তাঁর বান্ধবী যদি বুঝতে পারতেন হারটি বদলে দেওয়া হয়েছে। তাহলে তিনি তাঁকে অপহারক ভাবতে পারতেন। বান্ধবীর হার পরে বল নাচের আসরে গিয়ে মাদাম লোইসেল ফেরার পথে হারটি হারিয়ে ফেলেন। পরে তাঁদের সমস্ত জমানো টাকা দিয়ে ঠিক একই রকম দেখতে একটি হার কিনে তিনি বান্ধবীর কাছে ফেরত দিতে যান। মানুষ অপরাধ করলে সর্বদা তার মনে হয় যে তার অপরাধ সবাই বুঝতে পারবে। তেমনি মাদাম লোইসেলের মনেও ভয় কাজ করছিল, তাঁর বান্ধবী হারের বাক্সটি খুলে যদি দেখেন যে, হারটি বদলে দেওয়া হয়েছে তখন তিনি মাদাম লোইসেলকে খারাপ ভাববেন। হারটি ফেরত দেওয়ার পর ভয়ে লোইসেলের মনে এ ভাবনার উদ্রেক হয়েছিল।

প্রশ্ন-১৩. হারটি দেখে মাদাম লোইসেলের অনুভূতি কেমন হয়েছিল?
উত্তর: হারটি দেখে মাদাম লোইসেল আনন্দে বিহ্বল হয়ে পড়েন। বল নাচের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্যে বান্ধবীর কাছে গহনা চাইতে যান মাদাম লোইসেল। বান্ধবী ফোরসটিয়ার তাঁকে ‘মণিমুক্তাখচিত চমৎকার কারুকার্য করা অনেক গহনা দেখান । হঠাৎ কালো স্যাটিনের বাক্সে অপরূপ হীরার হারটি দেখে মাদাম লোইসেলের বুক দুরু দুরু করে অদম্য কামনায়। এই হারটি দেখার পর এত পছন্দ হয় যে, মাদাম লোইসেল তাঁর বান্ধবীর কাছে অন্য গহনাগুলো বাদ দিয়ে এটিই নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এটা গলায় দিয়ে তিনি অত্যন্ত আনন্দ বোধ করেন।

প্রশ্ন-১৪. লোইসেল কেন মাতিলদাকে চারশত ফ্রাঁ দিতে চান?
উত্তর: একটা ভালো পোশাক কিনতে লোইসেল মাতিলদাকে চারশত ফ্রাঁ দিতে চান । মাদাম লোইসেলের ভালো পোশাক ছিল না। এ কারণে তিনি কিছুতেই অনুষ্ঠানে যেতে রাজি হচ্ছিলেন না। লোইসেল তাঁর স্ত্রীর কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে নিজের বন্দুক কেনার জন্যে জমানো অর্থ থেকে তাঁকে চারশত ফ্রাঁ দিতে রাজি হন। মূলত মন রক্ষার্থে ভালো পোশাক ক্রয়ের জন্যে লোইসেল মাতিলদাকে স্ত্রীর চারশত ফ্রাঁ দিতে চান ।

প্রশ্ন-১৫. ‘সর্বদা তার মনে দুঃখ’- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ‘সর্বদা তার মনে ‘দুঃখ’- উক্তিটি দ্বারা মাদাম লোইসেলের অন্তর্বেদনাকে বোঝানো হয়েছে। মাদাম লোইসেল মনে করেন যত সব রুচিপূর্ণ ও বিলাসিতার বস্তু আছে, সেগুলোর জন্যেই তাঁর জন্ম। ঘরের দারিদ্র্য, হতশ্রী দেয়াল, জীর্ণ চেয়ার এবং বিবর্ণ জিনিসপত্রের জন্যে তিনি সর্বদা ব্যথিত হতেন। যদিও তাঁর সমবয়সি অন্য কোনো মেয়ে এসব খেয়াল করত না, তিনি এতে দুঃখিত ও ক্রুদ্ধ হতেন। উক্তিটি দ্বারা মাদাম লোইসেলের মনের এ অবস্থাকেই বোঝানো হয়েছে।

প্রশ্ন-১৬. মাতিলদা কেরানির সাথে বিয়ে মেনে নিয়েছিলেন কেন?
উত্তর: দরিদ্রতার কারণে মাতিলদা কেরানির সাথে বিয়ে মেনে নিয়েছিলেন। নিয়তির ভুলে এক কেরানি পরিবারে জন্ম হয়েছিল মাতিলদার। আনন্দ কিংবা আশা কোনোটাই তাঁর জীবনে ছিল না। নিজেকে উচ্চবিত্ত মহলে পরিচিত করার, প্রশংসা পাওয়ার কোনো উপায় তাঁর ছিল না। এ কারণেই ধনী অথবা বিশিষ্ট লোকের সঙ্গে প্রেমলাভ কিংবা বিবাহিত হওয়ার সুযোগও তাঁর ছিল না। তাই শিক্ষাপরিষদ অফিসের সামান্য এক কেরানির সঙ্গে বিবাহকে তিনি স্বীকার করে নিয়েছিলেন।

About মেরাজুল ইসলাম

আমি মেরাজুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী পাশাপাশি একজন ব্লগার। এডুকেশন এর প্রতি ভালোবাসাও অনলাইল শিক্ষার পরিসর বাড়ানোর জন্য এডুকেশন ব্লগের পথচলা। ব্লগিং এর পাশাপাশি আমি ওয়েবসাইট ডিজাইন, কন্টেন্ট রাইটিং, কাস্টমাইজ সহ ওয়েব রিলেটেড সকল কাজ করি।

Check Also

মেঘনাদবধ কাব্য কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর

মেঘনাদবধ কাব্য কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর

আপনি কি মেঘনাদবধ কাব্য কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর খুজতেছেন? আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের জন্য। আজকের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *