ঐকতান কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর

আপনি কি ঐকতান কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর খুজতেছেন? আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের জন্য। আজকের আর্টিকেলে ঐকতান কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করা হবে। কথা না বাড়িয়ে তাহলে চলুন শুরু করি।


ঐকতান কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাপ্নিক ও প্রতিষ্ঠাতা?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাপ্নিক ও প্রতিষ্ঠাতা।

প্রশ্ন-২. বাংলা ছোটগল্পের পথিকৃৎ ও শ্রেষ্ঠ শিল্পী কে?
উত্তর: বাংলা ছোটগল্পের পথিকৃৎ ও শ্রেষ্ঠ শিল্পী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।

প্রশ্ন-৩. ‘শেষ লেখা’ কাব্যগ্রন্থটি কে লিখেছেন?
উত্তর: ‘শেষ লেখা’ কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন।

প্রশ্ন-৪. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

প্রশ্ন-৫. কোন গ্রন্থের জন্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার পান?
উত্তর: ‘Song Offerings’-গ্রন্থের জন্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার পান।

প্রশ্ন-৬. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯৪১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

প্রশ্ন-৭. বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য সাধনার সময়কালটি কী নামে পরিচিত?
উত্তর: বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য সাধনার সময়কালটি ‘রবীন্দ্রযুগ’ নামে পরিচিত।

প্রশ্ন-৮. ‘ঐকতান’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘ঐকতান’ শব্দের অর্থ— বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের সমন্বয়ে সৃষ্ট সুর।

প্রশ্ন-৯, ‘ঐকতান’ কবিতার কবির মনে কবির মনে কীসের দীনতা?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতার কবির মনে কবির মনে জ্ঞানের দীনতা।

প্রশ্ন-১০, ‘ঐকতান’ কবিতার কবি বিপুলা এ পৃথিবীর সর্বত্র কী খুঁজে পাননি?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতার কবি বিপুলা এ পৃথিবীর সর্বত্র প্রবেশের দ্বার খুঁজে পাননি।

প্রশ্ন-১১. ‘ঐকতান’ কবিতায় উল্লেখিত কোন স্রোতে নানা কবি নানা গান ঢালে?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতায় উল্লেখিত প্রকৃতির ঐকতানস্রোতে নানা কবি নানা গান ঢালে।

প্রশ্ন-১২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ঐকতান’ কবিতায় নিজেকে কী বলে পরিচয় দিয়েছেন?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ঐকতান’ কবিতায় নিজেকে পৃথিবীর কবি বলে পরিচয় দিয়েছেন।

প্রশ্ন-১৩. চারদিকে ধ্বনি উঠলে তখন কবির মনে কীসের সুর জাগবে?
উত্তর: চারদিকে ধ্বনি উঠলে তখন কবির মনে বাঁশির সুর জাগবে।

প্রশ্ন-১৪. কবির স্বরসাধনায় কী রয়ে গেছে?
উত্তর: কবির স্বরসাধনায় বহুতর ফাঁক রয়েছে।

প্রশ্ন-১৫, কবি অকপটে কী মেনে নিয়েছেন?
উত্তর: কবি অপকটে মেনে নিয়েছেন নিজের সুরের অপূর্ণতা।

প্রশ্ন-১৬. কবির অন্তরে প্রবেশের দ্বার খোঁজায় কী বাধা হয়ে আছে?
উত্তর: কবির অন্তরে প্রবেশের দ্বার খোঁজায় জীবনযাত্রার বেড়াগুলো বাধা হয়ে আছে।

প্রশ্ন-১৭. কাদের ওপর নির্ভর করে জীবন-সংসার এগিয়ে চলে?
উত্তর: শ্রমজীবী মানুষের ওপর নির্ভর করে জীবন সংসার এগিয়ে চলে।

প্রশ্ন-১৮. কবি সমাজের উচ্চ মঞ্চের কোথায় বসেছেন?
উত্তর: কবি সমাজের উচ্চ মঞ্চের সংকীর্ণ বাতায়নে বসেছেন।

প্রশ্ন-১৯. ‘ঐকতান’ কবিতায় বর্ণিত জীবন সায়াহ্নে কবি কার আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতায় বর্ণিত জীবন সায়াহ্নে কবি ভবিষ্যতের মৃত্তিকা-সংলগ্ন কবির আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন।

প্রশ্ন-২০. মাঝে মাঝে কবি ও পাড়ার কোথায় বিচরণ করেছেন?
উত্তর: মাঝে মাঝে কবি ও পাড়ার প্রাঙ্গণের ধারে বিচরণ করেছেন।

প্রশ্ন-২১. কবি জীবনের সাথে কী যোগ করতে বলেছেন?
উত্তর: কবি জীবনের সাথে জীবন যোগ করতে বলেছেন।

প্রশ্ন-২২. কবি জীবনে কীসের অপূর্ণতার কথা বলেছেন?
উত্তর: কবি জীবনে সুরের অপূর্ণতার কথা বলেছেন।

প্রশ্ন-২৩. ‘ঐকতান’ কবিতায় বিভিন্ন গ্রন্থের চিত্রময় বর্ণনার বাণী কবি কীসের মতো সযত্নে আহরণ করেছেন?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতায় বিভিন্ন গ্রন্থের চিত্রময় বর্ণনার বাণী কবি ভিক্ষালব্ধ ধনের মতো সযত্নে আহরণ করেছেন।

প্রশ্ন-২৪. ‘ঐকতান’ কবিতায় বর্ণিত ‘ভিক্ষালব্ধ ধন’ সংগ্রহ করেন?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতায় বর্ণিত ‘ভিক্ষালব্ধ ধন’ সংগ্রহ করেন কবি।

প্রশ্ন-২৫, ‘ঐকতান’ কবিতায় বর্ণিত পৃথিবীর ধ্বনির সাড়া কোথায় পাওয়া যায়?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতায় বর্ণিত পৃথিবীর ধ্বনির সাড়া পাওয়া যায় কবির বাঁশির সুরে।

প্রশ্ন-২৬. ‘ঐকতান’ কবিতায় বর্ণিত কবি কীসের বেদনা উদ্ধার করতে বলেছেন?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতায় বর্ণিত কবি মর্মের বেদনা উদ্ধার করতে বলেছেন।

প্রশ্ন-২৭. কারা সুখে-দুঃখে নতশির স্তব্ধ করে আছে বিশ্বের সম্মুখে?
উত্তর: মুক যারা তারা সুখে-দুঃখে নতশির স্তব্ধ করে আছে বিশ্বের সম্মুখে।


প্রশ্ন-২৮. ‘জন্মদিনে’ কাব্যগ্রন্থটি কত তারিখে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ‘জন্মদিনে’ কাব্যগ্রন্থটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের পহেলা বৈশাখে প্রকাশিত হয়।

প্রশ্ন-২৯. ‘প্রবাসী’ পত্রিকার কোন সংখ্যায় ‘ঐকতান’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ‘প্রবাসী’ পত্রিকার ১৩৪৭ বঙ্গাব্দের ফাল্গুন সংখ্যায় ‘ঐকতান’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়।

প্রশ্ন-৩০. ‘ঐকতান’ কবিতাটি কবির কীসের স্বীকারোক্তি?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতাটি কবির অপূর্ণতার স্বীকারোক্তি।

প্রশ্ন-৩১. ‘ঐকতান’ কবিতাটি কবির কোন ধরনের রচনা?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতাটি কবির আত্মসমালোচনামূলক রচনা।

প্রশ্ন-৩২. ‘ঐকতান’ কবিতায় কয় মাত্রার অসম পর্ব ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতায় ৯ মাত্রার অসম পর্ব ব্যবহৃত হয়েছে।

প্রশ্ন-৩৩, ‘ঐকতান’ কবিতায় কয় মাত্রার অপূর্ণ পর্ব ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতায় ৩ ও ৪ মাত্রার অপূর্ণ পর্ব ব্যবহৃত হয়েছে।

প্রশ্ন-৩৪. ‘গিরি’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘গিরি’ শব্দের অর্থ পর্বত।

প্রশ্ন-৩৫. ‘ঐকতান’ কবিতায় কার মন অতি ক্ষুদ্র এক কোণ জুড়ে থাকে?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতায় কবির মন অতি ক্ষুদ্র এক কোণ জুড়ে থাকে।

প্রশ্ন-৩৬. ‘ঐকতান’ কবিতায় নানা কবি নানা দিক থেকে কী ঢালে?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতায় নানা কবি নানা দিক থেকে গান ঢালে।

প্রশ্ন-৩৭. ‘ঐকতান’ কবিতায় কবি মাঝে মাঝে কোথায় গিয়েছেন?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতায় কবি মাঝে মাঝে পাড়ার প্রাঙ্গণের ধারে গিয়েছেন।

প্রশ্ন-৩৮. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবদ্দশায় প্রকাশিত সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
উত্তর: ‘জন্মদিনে’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবদ্দশায় প্রকাশিত সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ।

প্রশ্ন-৩৯. ‘সর্বত্রগামী’ অর্থ কী?
উত্তর: ‘সর্বত্রগামী’ অর্থ হলো সব জায়গায় যাওয়া যায় এমন জায়গা।

প্রশ্ন-৪০. কবি সবার সঙ্গ লাভের সাথে আর কী লাভ করেন?
উত্তর: কবি সবার সঙ্গ লাভের সাথে আনন্দ লাভ করেন।

প্রশ্ন-৪১. কবিরা কীসের জন্যে কবিতা রচনা করেন?
উত্তর: কবিরা রস সৃষ্টির জন্যে কবিতা রচনা করেন।

প্রশ্ন-৪২. ‘ঐকতান’ কবিতায় কবি ‘প্রাণহীন’ বলতে কী বুঝিয়েছেন?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতায় কবি ‘প্রাণহীন’ বলতে সাধারণ মানুষকে অবজ্ঞা করা হয় এমন দেশকে বুঝিয়েছেন।

প্রশ্ন-৪৩. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন-৪৪. কাছে থেকে দূরে যারা, কবি তাদের কী শুনাতে চেয়েছেন?
উত্তর: কাছে থেকে দূরে যারা, কবি তাদের বাণী শোনাতে চেয়েছেন।

প্রশ্ন-৪৫, ‘উদবারি’ অর্থ কী?
উত্তর: ‘উদবারি’ অর্থ ওপরে বা ঊর্ধ্বে প্রকাশ করে দাও।

প্রশ্ন-৪৬. ‘ঐকতান’ কবিতাটি প্রথমে কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতাটি প্রথমে ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

প্রশ্ন-৪৭. ‘ঐকতান’ কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতাটি ‘জন্মদিনে’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

প্রশ্ন-৪৮. ‘ঐকতান’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘জন্মদিনে’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

প্রশ্ন-৪৯. ভিক্ষালব্ধ ধনে কবি কী পুরণ করেন?
উত্তর: ভিক্ষালব্ধ ধনে কবি তাঁর জ্ঞানের দীনতা পূরণ করেন।

প্রশ্ন-৫০. কোন ধরনের পণ্যে গানের পসরা ব্যর্থ হয়?
উত্তর: কৃত্রিম পণ্যে গানের পসরা ব্যর্থ হয়।

প্রশ্ন-৫১. ‘ঐকতান’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতাটি সমিল প্রবহমান অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত।

প্রশ্ন-৫২. কবি তাঁর কবিতাকে সমৃদ্ধ করতে কী কুড়িয়ে আনেন?
উত্তর: কবি তাঁর কবিতাকে সমৃদ্ধ করতে চিত্রময়ী বর্ণনার বাণী কুড়িয়ে আনেন।

প্রশ্ন-৫৩. জ্ঞানের দীনতা কবি কীসের দ্বারা পূর্ণ করেন?
উত্তর: জ্ঞানের দীনতা কবি ভিক্ষালব্ধ ধন দ্বারা পূর্ণ করেন।

প্রশ্ন-৫৪. ‘জন্মদিনে’ কাব্যগ্রন্থটি কবির মৃত্যুর কতদিন পূর্বে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ‘জন্মদিনে’ কাব্যগ্রন্থটি কবির মৃত্যুর মাত্র চার মাস পূর্বে প্রকাশিত হয়।

প্রশ্ন-৫৫. ‘ঐকতান’ কবিতায় ‘বিপুল’ শব্দটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতায় ‘বিপুল’ শব্দটি দিয়ে পৃথিবীকে নির্দেশ করা হয়েছে।

প্রশ্ন-৫৬. ‘প্রবাসী’ পত্রিকার কোন সংখ্যায় ‘ঐকতান’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়?
উত্তর: ‘প্রবাসী’ পত্রিকার ১৩৪৭ বঙ্গাব্দের ফাল্গুন সংখ্যায় ‘ঐকতান’ কবিতাটি প্রকাশিত হয়।

প্রশ্ন-৫৭. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম ‘বনফুল’।

প্রশ্ন-৫৮. কবি কাদের বাণী শুনতে চেয়েছেন?
উত্তর: যারা কাছে থেকে দূরে কবি তাদের বাণী শুনতে চেয়েছেন।

প্রশ্ন-৫৯. ‘ঐকতান’ কবিতাটি ‘জন্মদিনে’ কাব্যগ্রন্থের কত সংখ্যক কবিতা?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতাটি ‘জন্মদিনে’ কাব্যগ্রন্থের ১০ সংখ্যক কবিতা।

প্রশ্ন-৬০. ‘ঐকতান’ কবিতাটি কার লেখা?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।

প্রশ্ন-৬১. কীসের আয়োজন কবির মনজুড়ে থাকে?
উত্তর: বিশাল বিশ্বের আয়োজন কবির মনজুড়ে থাকে।

প্রশ্ন-৬২, তাঁতি কী বোনে?
উত্তর: তাঁতি তাঁত বোনে।

প্রশ্ন-৬৩. রবীন্দ্রনাথ ‘ঐকতান’ কবিতায় নিজেকে কোথাকার কবি বলে সম্বোধন করেছেন?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ‘ঐকতান’ কবিতায় নিজেকে পৃথিবীর কবি বলে সম্বোধন করেছেন।

প্রশ্ন-৬৪, ‘ঐকতান’ কবিতা অনুসারে কে খেতে হাল চালায়?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতা অনুসারে চাষি খেতে হাল চালায়।

প্রশ্ন-৬৫. ‘ঐকতান’ কবিতার কবির মতে কী সর্বত্রগামী হতে পারেনি?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতার কবির মতে, তাঁর কবিতা সর্বত্রগামী হতে পারেনি।

প্রশ্ন-১. কবি বিপুলা এ পৃথিবীর সবকিছু জানেন না কেন?
উত্তর: সংক্ষিপ্ত জীবনে জ্ঞানের অপূর্ণতার কারণে কবি বিপুলা এ পৃথিবীর সবকিছু জানেন না। বিশাল এই পৃথিবীতে রয়েছে কত দেশ, নগর, রাজধানী, মানুষের কত কীর্তি, নদী-গিরি-সিন্ধু-মরুভূমি, কত অজানা জীব, অপরিচিত তরঙ্গ। সৃষ্টিজগতের এই সব জিনিস নিত্য বয়ে যাচ্ছে অগোচরে। কবির মন বিশাল এই বিশ্বের আয়োজনের অতি ক্ষুদ্র এক কোণে পড়ে আছে। তাই কবির এই সংকীর্ণ জীবনের অর্জিত জ্ঞানের সুধা দ্বারা বিশাল পৃথিবীর সব কিছু অবলোকন করা অত্যন্ত দুরূহ।

প্রশ্ন-২. জীবনে জীবন যোগ করা প্রয়োজনীয় কেন?
উত্তর: শিল্পসাধনাকে পূর্ণতা দেওয়ার জন্যে জীবনে জীবন যোগ করা প্রয়োজনীয় । কবির মতে, জীবনের সঙ্গে জীবনের সংযোগ ঘটাতে না পারলে শিল্পীর সৃষ্টি কৃত্রিম পণ্যে পরিণত হয়। অর্থাৎ শিল্প-সাহিত্যে শ্রমজীবী মানুষের অবদান যথাযথভাবে স্বীকৃত না হলে অপূর্ণ থেকে যায় । তাই শিল্পসাধনাকে পূর্ণ করতে জীবনে জীবন যোগ করতে হবে। অর্থাৎ শ্রমজীবী মানুষকে শিল্প-সাহিত্যের অঙ্গনে যোগ্য স্থান দিতে হবে।

প্রশ্ন-৩. ‘ঐকতান’ কবিতায় কবি অখ্যাতজনের জন্যে কবির আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন কেন?
উত্তর: অখ্যাত মানুষের অব্যক্ত মনের জীবনকে আবিষ্কার করার জন্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একজন অখ্যাতজনের কবির আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন। কবি সমাজের উচ্চাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন বলে শ্রমজীবী মানুষের মর্মবেদনা আবিষ্কার করতে পারেননি। এ ব্যর্থতাকে পুষিয়ে দিতে কবি মহৎ একজন কবির আবির্ভাব প্রত্যাশী। যিনি অখ্যাত, পীড়িত মানুষের জীবনসত্যকে আবিষ্কার করতে সক্ষম হবেন।

প্রশ্ন-৪. কবির মন ক্ষুদ্র এক কোণে আবদ্ধ থাকার কারণ বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর: বিশাল এ পৃথিবীর বিচিত্র আয়োজন স্বচক্ষে দেখতে পারেননি বলে কবির মতে, তাঁর মন ক্ষুদ্র এক কোণে আবদ্ধ। জীবন ও জড় বৈচিত্র্যের বিশাল সম্ভার নিয়ে এই বিশাল বিশ্বজগৎ। কিন্তু অনেক কিছুই কবির অগোচরে রয়ে গেছে। তাঁর পক্ষে এই বিশাল পৃথিবী ভ্রমণ সম্ভব হয়নি। তাই কবির মতে, তাঁর মন ক্ষুদ্র এক কোণে আবদ্ধ।

প্রশ্ন-৫. ‘ঐকতান’ কবিতার কবি নিজেকে ‘পৃথিবীর কবি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন কেন?
উত্তর: ‘ঐকতান’ কবিতার কবি পৃথিবীর উপাদান সংগ্রহ করে পৃথিবীর মানুষের জন্যে কাব্য রচনা করেছেন বলে তিনি নিজেকে ‘পৃথিবীর কবি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বিভিন্ন ধরনের ধ্বনি জেগে ওঠে। কবি এসব ধ্বনি তাঁর সাহিত্য রচনার উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করেন। পৃথিবীর যেখানে যে সুর ধ্বনিত হয়েছে, তা তিনি আপন সাহিত্যে ব্যবহার করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি প্রকৃতির কথা, মানুষের কথা তুলে ধরেছেন। এ কারণেই কবি নিজেকে পৃথিবীর কবি বলে আখ্যায়িত করেছেন।

প্রশ্ন-৬. ‘প্রকৃতির ঐকতানস্রোত’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ‘প্রকৃতির ঐকতানস্রোত’ বলতে বিশ্বব্যাপী প্রকৃতির বিচিত্র আনন্দের মাঝে কবিদের ভাবনার ঐক্যকে বোঝানো হয়েছে। ‘ঐকতান’ কবিতায় বর্ণিত কবির মাঝে বিচিত্র চিন্তা-চেতনার প্রকাশ ঘটেছে। প্রকৃতির নানা উপাদান নিয়ে পৃথিবীর নানা প্রান্তের কবিগণ সাহিত্য রচনা করেন। তাঁদের সবার মাঝেই এক ধরনের মিল লক্ষ করা যায়। ‘ঐকতান’ কবিতায় বর্ণিত কবি অন্যান্য কবির সাথে নিজের যোগ খুঁজে পান। ‘প্রকৃতির ঐকতানস্রোত’ বলতে সাহিত্যাঙ্গনে কবিদের মাঝে বিদ্যমান এ ঐক্যকেই বোঝানো হয়েছে। কবি এই ঐকতানস্রোতে ব্রাত্যজনের কবিদেরও উপস্থিতি কামনা করেছেন।

প্রশ্ন-৭. ‘আমার সুরের অপূর্ণতা’ বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর: সকল শ্রেণির মানুষের সুখ-দুঃখকে কবি তাঁর কাব্যে, গানে তুলে ধরতে পারেননি— ‘আমার সুরের অপূর্ণতা’ বলতে কবি এ বিষয়টিই বোঝাতে চেয়েছেন। কবি সারা জীবন সুরের সাধনা করেছেন। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে তিনি তাঁর রচনায় তুলে ধরেছেন। কিন্তু জীবনের এ পর্যায়ে এসে মনে হয়েছে, সমাজের শ্রমজীবী মানুষেরা তাঁর সাহিত্য সুরের মূর্ছনা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এ বিষয়টিকে কবি নিজের অপূর্ণতা বলে স্বীকার করেছেন। আমার সুরের অপূর্ণতা’ বলতে কবি এ বিষয়টিই বোঝাতে চেয়েছেন।

প্রশ্ন-৮. ‘ঐকতান’ কবিতায় কবি কেন মাটির কাছাকাছি কান পেতে আছেন?
উত্তর: মৃত্তিকাসংলগ্ন মানুষের গান করেন যে কবি তাঁর বাণী শুনতে কবি মাটির কাছাকাছি কান পেতে আছেন। কবি প্রত্যক্ষ করেছেন, জীবন বিচিত্র কর্মভারে সদা চঞ্চল। কৃষক, শ্রমিক, তাঁতি, জেলে, কামার, কুমোর প্রভৃতি বিচিত্র পেশার মানুষ সমাজে বিদ্যমান। ‘ঐকতান’ কবিতায় বর্ণিত কবি সকলের নিমন্ত্রণ রক্ষা করে উঠতে পারেননি। কবির মতে, সমাজের এ স্তরের মানুষ তাঁর ভালোবাসা ও হৃদয়ের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এ কারণে সর্বসাধারণের মনের ভাষা বুঝতে পারবেন, সাহিত্যে তাদের স্থান দেবেন এমন কবির প্রত্যাশায় কবি ভবিষ্যৎ পানে চেয়ে আছেন। অর্থাৎ মৃত্তিকাসংলগ্ন মানুষের তরে যে কবি গান করবেন তাঁর বাণী শুনতেই কবি মাটির কাছাকাছি কান পেতে আছেন।

প্রশ্ন ৯. কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মৃত্তিকা সংলগ্ন কবির আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন কেন?
উত্তর: নিজ কাব্যসাধনার অপূর্ণতা পূরণের জন্যে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মৃত্তিকা সংলগ্ন কবির আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন। ‘ঐকতান’ কবিতায় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজের সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতার কথা ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেছেন, সমাজের হতদরিদ্র অপাত্তেয় মানুষের কাছ থেকে তাঁর অবস্থান ছিল অনেক দূরে, অনেক ওপরে। ফলে তিনি মৃত্তিকা-সংলগ্ন এমন একজন কবির আবির্ভাব প্রত্যাশা করেছেন যে কবি শ্রমজীবী মানুষের আত্মার আত্মীয় হয়ে তাদের অন্তরের কথা সাহিত্যে তুলে ধরতে পারবেন। মূলত নিজ কাব্যসাধনার অপূর্ণতা পূরণের মানসেই কবির এই প্রত্যাশা।

প্রশ্ন-১০. ‘বিপুলা এ পৃথিবীর’ প্রতি কবি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কেন?
উত্তর: এ পৃথিবীর বিশালত্ব ও বৈচিত্র্যময় সৃষ্টিসম্ভার দেখে মুগ্ধ কবি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। বিপুলা এই পৃথিবীতে প্রকৃতির আয়োজন বিশাল ও বৈচিত্র্যে ভরপুর। রয়েছে কত দেশ, নগর, রাজধানী, মানুষের নানান কীর্তি, নদী-গিরি- সিন্ধু-মরু, অজানা জীবজন্তু আর অপরিচিত তরু। প্রকৃতির এতসব আয়োজন কবির প্রাণে ভাবনার দোলা সৃষ্টি করে, মুগ্ধতার আবেশ জাগায়। তাই কবি ‘বিপুলা এই পৃথিবীর’ প্রতি আপন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

প্রশ্ন-১১. ‘ঐকতান’ কবিতার কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভ্রমণবৃত্তান্ত পড়েন কেন?
উত্তর: দেশভ্রমণের অপূর্ণতা দূর করার জন্যে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভ্রমণবৃত্তান্ত পড়েন। কবি বিশাল বিশ্বের আয়োজন সম্পর্কে সম্যকরূপে জানতে আগ্রহী। কিন্তু গোটা পৃথিবীর সমস্ত দেশ ঘুরে বেড়ানো কঠিনতম কাজ, যা কবির পক্ষে সম্ভব নয়। তাই নানাবিধ ভ্রমণকাহিনি পড়ে তিনি আপন জ্ঞানতৃষ্ণা নিবারণ করতে সচেষ্ট। মূলত অজানাকে জানার গভীর আগ্রহ থেকে কবি অক্ষয় উৎসাহে ভ্রমণবৃত্তান্ত পাঠ করেন।

প্রশ্ন-১২. ‘মানুষের কত কীর্তি’—কবি এখানে কোন কীর্তিকে বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর : কবি এখানে মানুষের সভ্যতা বিনির্মাণের কীর্তিকে বুঝিয়েছেন। কবির আত্মস্বীকারোক্তি এই যে, এই বিপুল পৃথিবীর প্রায় সবটাই তাঁর অজানা। পৃথিবীর সর্বত্র মানুষের অবদান ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। মানুষ নির্মাণ করেছে শহর-বন্দরসহ আরও অনেক কিছু যা সভ্যতাকে নিয়ে গেছে অনন্য এক উচ্চতায়। সভ্যতা বিনির্মাণের এ বিষয়টিকেই কবি মানুষের কীর্তিরূপে আখ্যায়িত করেছেন।

প্রশ্ন-১৩. ‘ঐকতান’ কবিতায় কবির ক্ষোভের কারণ কী? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর : বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের খুব সামান্য জানতে পারাই ‘ঐকতান’ কবিতায় কবির ক্ষোভের কারণ। কবি এ বিশ্বের সর্বত্র পরিভ্রমণ করতে চান, কিন্তু তাঁর পক্ষে সেটি সম্ভবপর হয়ে ওঠে না। সমস্ত বিশ্বকে জানতে চাইলেও তাঁর মন ঘরের সামান্য গণ্ডির মধ্যে আটকে থাকে; যেটি কোনোভাবেই তাঁর কাঙ্ক্ষিত নয়। তাই তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

প্রশ্ন-১৪. কবি বিচিত্র কর্ম দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর : নানা মানুষের নানা কর্মের তৎপরতা কবিকে চমৎকৃত করেছে; তাই তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। সাধারণ মানুষকে যতটুকু কবি দেখেছেন তাতে তিনি বিচিত্র অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। তাঁর সামনেই নানাজন নানা কাজে ব্যস্ত এবং প্রত্যেকের কর্মই সমাজে সমান গুরুত্ব বহন করেছে। মানুষের এই বৈচিত্র্যময় কর্ম তৎপরতা দেখেই কবি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

প্রশ্ন-১৫, কবি শেষ পর্যন্ত কাদের বাণী শোনার প্রত্যাশা রাখেন? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর : কবি শেষ পর্যন্ত সেই কবির বাণী শোনার প্রত্যাশা রাখেন, যিনি অখ্যাত মানুষের কথা বলবেন। মানুষের মাঝে নিজেকে ঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে না পারার বেদনা সবসময় কবিকে পীড়ন করেছে। তিনি তাঁর সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন । তাই তিনি এমন কবির স্বপ্ন দেখেন যিনি সমাজের খেটে খাওয়া মানুষের কথা তাঁর কবিতায় তুলে ধরবেন। শেষ পর্যন্ত এটিই কবির প্রত্যাশা হয়ে বেঁচে রয়।

প্রশ্ন-১৬. ‘বিশাল বিশ্বের আয়োজন’ বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর : ‘বিশাল বিশ্বের আয়োজন’ বলতে কবি বোঝাতে চেয়েছেন বৈচিত্র্যময় পৃথিবী ও জনজীবনের অনিঃশেষ কর্মযজ্ঞকে। পৃথিবীতে অগণিত দেশ, অগণিত নগর রাজধানী, নদী, সিন্ধু, তরু ও বহু অজানা জীবের সন্নিবেশ। এছাড়া বিভিন্ন দেশের মানুষের রয়েছে নানারকমের সংস্কৃতি। জাতিতে জাতিতে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। এটিকে কবির কাছে মনে হয়েছে বিশাল বিশ্বের আয়োজন।

আশাকরি আজকের আর্টিকেল টি ভালো লেগেছে। ভালো লাগলে আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ।

About মেরাজুল ইসলাম

আমি মেরাজুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী পাশাপাশি একজন ব্লগার। এডুকেশন এর প্রতি ভালোবাসাও অনলাইল শিক্ষার পরিসর বাড়ানোর জন্য এডুকেশন ব্লগের পথচলা। ব্লগিং এর পাশাপাশি আমি ওয়েবসাইট ডিজাইন, কন্টেন্ট রাইটিং, কাস্টমাইজ সহ ওয়েব রিলেটেড সকল কাজ করি।

Check Also

মেঘনাদবধ কাব্য কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর

মেঘনাদবধ কাব্য কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর

আপনি কি মেঘনাদবধ কাব্য কবিতার প্রশ্ন ও উত্তর খুজতেছেন? আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের জন্য। আজকের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *